অমিয় চৌধুরী

জননেত্রী মমতা নির্বাচনী প্রচারে যখন ঝড়ের পাখি

২০১৬ র সরকার গঠন করবার পর প্রশাসনিক প্রধান হিসেবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একদিনও বসে থাকেননি। প্রথম জেলা সফর করতে প্রথমেই চলে গেলেন জঙ্গলমহল অঞ্চলে।

 
 

।। ভারতের সংসদ কী শান্ত! নভেম্বর ২৬ একই সঙ্গে সংবিধান দিবস আর বাবাসাহেব আম্বেদকরের ১২৫ তম জন্মদিন স্মরণ করা হল ।।

অঙ্গীকার ছিল দৃষ্টান্ত কলামের পরে লেখাচিত হবে উন্নয়নমূলক প্রশাসন। কিন্তু এই উন্নয়নী প্রশাসন লিখতে বসে শব্দ সংখ্যা হয়ে গেল তিন হাজার। অতএব লেখাটি অন্য একটি লিখিত পত্রিকায় দিতে হলো।

 
 

রাজনীতি, দলীয় এবং উন্নয়নী প্রসাশন
(দ্বিতীয় অংশ)

সমাজতান্ত্রিক যে দেশগুলো পর্দার আড়ালে একদা যারা আত্মগরিমায় যা নাকি লোক চক্ষুর অন্তরালে ছিল, তাদের নিয়ে গণতান্ত্রিক দেশে তথাকথিত সাম্যবাদী মানুষের গর্বের সীমা ছিল না।

 
 

রাজনীতি, দলীয় এবং উন্নয়নী প্রসাশন

আবহমান কাল থেকে তত্ত্ব ও প্রয়োগ সংক্রান্ত ভাবনা নিয়ে লক্ষ লক্ষ শব্দ ব্যবহৃত হয়ে আসছে। সমাজ সংস্কারক ব্যক্তিত্বরা তো ছিলেন এখনো আছেন। কিন্তু সমাজের পরিবর্তনের বাহক কিন্তু রাজনীতিকরা। সব দেশে সবকালেই এটা ঘটে আসছে।

 
 

প্রচার মাধ্যম এবং তাদের মালিকরাজ

বাজারী পত্রিকার সব সংবাদপত্র এমনকি বর্তমান পত্রিকা হাতে সোনার থালা পেয়ে গিয়েছে, এর পেছনে মোদী ভাইয়ের লাড্ডুও থাকতে পারে! বোধ হয় এখন ওগুলোর বিক্রিও বাড়ছে। শাসক দলের বিরুদ্ধে লেখার একটা স্বার্থ ও প্রয়োজনীয়তাও আছে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায়।

 
 

“হোক কলরব” এখন চুম্বনাক্রান্ত-উচ্চ উচ্চারণ স্তিমিত প্রায়

চুম্বনে চুম্বনে হোক কলরব। কিন্তু আশ্চর্য কলরব আস্তে আস্তে নেমে আসছে। যাদবপুরের সেই অল্পস্বল্প সব জেনে যাওয়া ছাত্র ছাত্রীদের ঢোঁক গিলে ফেলার অমোঘ আকর্ষণের স্তিমিত কলরব শুধু যাদবপুর থানার আকাশে বাতাশে ভেসে আছে।

 
 

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় অচলাবস্থা মাসাধিক কাল ধরে চলছেই
(শেষাংশ)

যদিও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আন্দোলনের সেই বীভৎসতা নেই এখন আর। কতদিন আর দম থাকে। তবে এরা কারা এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে একটু পেছনে তাকাতে হবে। ঠিক অক্টোবরের ১৬তে আন্দোলনের এক মাস পূর্ণ হোল।

 
 

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র, অছাত্র আন্দোলনে বিক্ষোভ - এরা কারা?

এই সেপ্টেম্বর মাসটায় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেক কিছু ঘটলো। যা যা ঘটেছে সেগুলকে প্রায় বিশ্বের দরবারে পৌঁছে দেওয়ার জন্য কিছু ছাত্র এবং সঙ্গে অনেকে অ্যাকাডেমি অব ফাইন আর্টসের সামনে থেকে রাজ্যপালকে স্মারকলিপি দিতে গেলো।

 
 

সেলিব্রিটি হয়ে ওঠার কৃতকৌশল

চলতে চলতে জীবন অনেক কিছু শেখায়। জীবন সতত সুখের নয় অবশ্যই। এটা মেনে নেওয়াই ভাল। এই যেমন একদিন যারা পথ চলার সঙ্গী ছিল। এখন আর তেমন চলতে হয় না। অতএব সঙ্গে যারা চলছিল তারা অধিকাংশ থেমে গেছে।

 
 

পশ্চিমবঙ্গে রতন টাটা শিল্প (অ)দর্শন

আবার টাটা। কয়েক বছর হল গুজরাটে চলে গেলেন, ন্যানো গাড়ির যন্ত্রপাতি উত্তরাখণ্ড থেকে এনে নরেন্দ্র মোদীর আনুকুল্যে গুজরাটে সানন্দে চারশো একর জমি নিয়ে ন্যানো গাড়ির জোড়া তাপ্পি লাগাতে শুরু করলেন।

 
 

সংবাদমাধ্যমের সন্ত্রাস

সংবাদমাধ্যম, সে ছাপা থেকে হোক কিংবা টেলিভিসন, দাপটের সঙ্গে নিজের গুরুত্বকে প্রতিষ্ঠিত করতে অবিরত চেষ্টা করে যাচ্ছে। এতে নিশ্চয় দোষের কিছু নেই। কেননা সংবাদমাধ্যমকে গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ বলা হয়ে থাকে।

 
 

রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের কোর্ট কাছারি করার উদ্দেশ্য অনুমান করা খুব একটা শক্ত নয়

আবার রাজ্য ইলেকশন কমিশনার। শ্রীমতী মীরা পান্ডে এই তৃতীয়বার রনংদেহি মূর্তিতে রাজ্যের হাইকোর্টের দ্বারস্থ।

 
 

রায়দিঘির কয়েকটি হত দরিদ্র মুসলিম পরিবার আজ নিঃস্ব, সিপিএম এর খুনে বাহিনীর তান্ডব

রায়দিঘি - দক্ষিণ ২৪ পরগনার মথুরাপুর দু’নম্বর ব্লকের মধ্যে পরে। অঞ্চলটার নাম খাড়ি।

 
 

সাম্প্রতিক সংসদীয় নির্বাচনঃ অভাবনীয় সাফল্য নরেন্দ্র মোদীর আর কংগ্রেস এর অধঃপতন ঠেকেছে মাত্র ৪৪ এ

সঞ্জয় নিরুপম কংগ্রেস-এর টিকিটে উত্তর মুম্বাই কেন্দ্র থেকে সংসদীয় নির্বাচনে(২০১৪) লড়ে ছিলেন এবং যথারীতি হেরে গেছেন। ওর নামটা খুবই পরিচিত। কেননা আগে উনি শিবসেনা এবং বিজেপির সঙ্গেও ঘর করে এসেছেন।

 
 

২০১৪-র সংসদীয় নির্বাচন: বিজেপি এবং

এই কলমে মনে হয় শেষ লেখা ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়- এর ক্যারিশ্মা। মমতা মূখ্যমন্ত্রী হিসেবে প্রভূত কাজ করেছেন। আমরা-ওরার বিচার করেননি। অগাধ প্রাণশক্তি আর কঠোর পরিশ্রম করে সারা রাজ্য ঘুড়ে ফেলেছেন।

 
 

মমতার ক্যারিসমা বা গনমহিনীশক্তিতে উত্তরণ অতি অল্পসংখ্যক উচ্চকোটির মানুষ এখনো মেনে নিতে পারেন না

ম্যাক্স ওয়েবার রাজনৈতিক নেতৃত্বের রকমফের দেখিয়েছেন। ব্যাখ্যা করেছেন। নানা দেশের উদাহরণ দিয়ে বলা যায় – একনায়কতান্ত্রিক নেতৃত্ব, পারিবারিক নেতৃত্ব, সমষ্টিগত নেতৃত্ব এবং ক্যারিশ্মাটিক নেতৃত্ব। এই সব নেতৃত্বের অস্তিত্ব বহুদেশে সর্বকালে দেখা যায়।

 
 

‘নান্‌ অফ দি অ্যাবভ’(নোটা) ভোটের মূল্যায়নের সময় এখনি আসেনি

যারা গত বছরে শেষের দিকে রাজস্থান, মধ্য প্রদেশ, ছত্তিসগড় এবং মিজোরাম বিধানসভা নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রে নিজের ভোট নিজে দিতে গিয়েছিলেন তারা অবশ্যই ভোট যন্ত্রে একটা নতুন বোতাম টিপেছেন বা অন্য বোতাম টিপেছেন, তারা নোটা চিহ্নিত বোতাম এর সঙ্গে পরিচিত। সারা দেশবাসী আগামী ৭ এপ্রিল প্রথম দফা ভোট দিতে গিয়ে ভোট যন্ত্রের এই সংযোজনটি লক্ষ্য করবেন।

 
 

আন্না হাজারেজী, সততাই গান্ধী দর্শনের মূল কথা

২০১৪’র সংসদীয় নির্বাচনে অনেক অঘটন ঘটতে চলেছে। সব রাজনৈতিক দলই, যে যাই ঘোষণা করুক, একটা অনিশ্চয়তায় ভুগছে। জনমত সমীক্ষাগুলোতে অবশ্য একটা ইঙ্গিত পাওয়া যায়। কংগ্রেস-এর নেতৃত্বে ইউপিএ জোট অনেকটা পিছিয়ে আর বিজেপির নেতৃত্বে(পড়ুন নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে) এন ডি এ জোট অনেক দূর পর্যন্ত এগোলেও কাঙ্খিত সংখ্যায় পৌছাতে পারবেনা। এই ক্ষেত্রে বেশ কিছু আসন নিয়ে আঞ্চলিক দলগুলোর গুরুত্ব অনেকটা বেড়ে যাবে সরকার গঠন প্রক্রিয়ায়।

 
 

দুটি মন একজায়গায় পরিসর পায়ঃ আন্নার চোখে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর ব্যাক্তিগত সততা এবং সেই সততা থেকেই উঠে আসা রাজনীতিকে কেউ অগ্রাহ্য বা সন্দেহ করতে পারবেন না। আর এইখানেই বোধ হয় আন্না হাজারের উৎসাহ, এবং মনের মিল ও বলা যায়। আন্না খুবই সাধারণ ব্যক্তিগত অতীত থেকে হয়ে উঠেছেন সমাজসেবী গান্ধীবাদী মোটামুটি এক অনন্য ব্যক্তি।

 
 

তেলেঙ্গানা বিল অসাংবিধানিক এবং পরিষদীয় গনতান্ত্রিক নিয়ম বিরোধী এক পরিহাস

অন্ধ্রপ্রদেশ রাজ্যকে ভাগ করা হয়ে গেল একটা তেলেঙ্গানা-স্বতন্ত্র রাজ্য বিল সংসদে পাশ করিয়ে। এই বিলে এখন রাষ্ট্রপতি সাক্ষর করলেই আইনত অন্ধ্র প্রদেশ দুটি আলাদা রাজ্যে পরিণত হয়ে যাবে। তেলেঙ্গানার আন্দোলন দীর্ঘ দিনের। ১৯৫০ এর দশক থেকেই অন্ধ্র বিভাজনের দাবি ছিল। সেই ইতিহাস দীর্ঘদিনের। এই আলোচনায় সেই সব প্রসঙ্গ না আনাই ভালো।

 
 

একই সঙ্গে সিপিএম’র মুখোশ আর মুখ বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য

জানুয়ারি ৩০, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ব্রিগেড্‌ প্যারেড গ্রাউন্ড বা ময়দানে এক সভার আহ্বান করেছিলেন। জুলাই ২১ এর শহিদ দিবস এবার (২০১৩) ঠিক সময়ে ডাকার অবস্থা ছিল না পঞ্চায়েত ভোট এবং নানাবিধ কারণে। সেদিন সমস্ত ময়দান ভর্তি সে এক জনঅরণ্য। মমতা এখন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি সভা ডাকলে সব সময়ই বিপুল জনসমাগম হয়। ব্রিগেড, ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে বা গান্ধী মূর্তির কাছে মেয়ো রোডের সভাতেও সেই একই দৃশ্য।

 
 

মহাত্মা গান্ধীর মূর্তিকে সামনে রেখে দীপার তিনদিনের অনির্দিষ্টকালের অনশন

গান্ধীমূর্তির পাদদেশে যখন কেউ অনশন করতে বসেন তখন অবশ্যই তিনি তার অন্তর্দেশ আয়নার সামনে একবার দাড় করিয়ে দেবেন এমনটাই কাম্য। অবশ্য গান্ধীমূর্তির সামনে নয় দলীয় দপ্তরেই চার চারজন কংগ্রেস এর স্থানীয় নেতা আজীবন অনশনে বসেছিলেন, মাত্র তিন দিনের জন্য। নির্ভর করেছিলেন প্রণব মুখোপাধ্যায় এর ওপর। কংগ্রেস এর ওপর মহল অর্থাৎ হাই কমান্ড, অন্যভাবে বললে সোনিয়া গান্ধীর, অনুমোদন নিয়ে প্রণববাবু বার্তা পাঠালেন ঠিক আছে।

 
 

অনেকপথ পরিক্রমায় ফল শুন্য: এবার ঘরে ফেরা

এক বার মনে হয়েছিল এই সময় ব্যাপার সম্পূর্ণ অগ্রহ্ন করাই ভাল। তাই হচ্ছিল। তৃণমূল কংগ্রেস যেমন প্রায় নির্বাচনের পর থেকেই যাদবপুরের আসন দখল করে থাকা কবীর সুমনকে। ভালো সিদ্ধান্ত ছিল। সুমনের জন্যেও ভালো। উনি গান টান করবেন। কিছু কথাবার্তা বলে তৃণমূল কংগ্রেস আর তার নেত্রীকে না হলেও অন্য নেতাদের খোঁচাবেন এটা জানা কথাই। সব সময় যে প্রচারের আলোয় থাকতে হবে।

 
 

সুচিত্রা সেন : কবি কথায় – সুচিত্রা আপনি কখনো তুমি হলেন না

অগ্রজ কবি ভাবছেন আপনি সুচিত্রা সেন। স্বপ্ন সঙ্গিনীই হয়ে রইলেন। এই বিরাশি বছরে দাঁড়িয়ে গভীর অসুখে একটু ক্লান্ত। কতকাল উনি লোকচক্ষুর অন্তরালে! ওকে দেখা যায়নি। ওর সম্পর্কে অনেক গল্প শোনা যায়। সিনেমা পত্রিকার কোন এক বা দুই লেখক ছবি দেখে বাইরের জগতে ওনাকে নিয়ে গল্প লেখেন। আমার অগ্রজ সেই কবির একটা কবিতায় এই কথাগুলো পেলাম। কবিতার ভাষায় কবি লিখেছিলেন।

 
 

প্রসঙ্গ দিল্লীর বিধানসভা: কেজরিওয়ালের রাজনীতির এক নতুন প্রকরণ

আমার কাছে ফেলে আসা ২০১৩র সবচেয়ে বড় ঘটনা দিল্লীর রাজনীতিতে কেজরিওয়াল-এর এক অন্য ধরণের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে উঠে আসা। দিল্লী বিধানসভার ৭০টি আসন। এর মধ্যে বিজেপি পেল ৩২টি। কংগ্রেস মুছতে মুছতে ৪১ থেকে নেমে এল ৮টিতে। কংগ্রেস এর জন্যে এ এক লজ্জাজনক পরিস্থিতি। অতএব নিজের সত্ত্বা বাঁচিয়ে রাখতে কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টি বা আপ’কে নিঃশর্ত সমর্থন দিতে হল।

 
 

কংগ্রেস-এর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎঃ কারাতদের তৃতীয় ফ্রন্ট শুধু কাল্পনিক স্তরে

সাপ্তাহিক column- এর জন্য এই লেখাটা হয়তো একটু বাসি হয়ে গেল। কেননা একটা ঘটনা হল কয়েকটি পুরসভার নির্বাচন। যার ফল ঘোষিত হয়েছে ২৫শে নভেম্বর আর পাঁচটি রাজ্যের বিধান সভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষিত হল ৮ই ডিসেম্বর। কংগ্রেস দলের অবস্থা, সে জাতীয় স্তরেই হোক কিম্বা এই রাজ্যে, বড় করুন।

 
 

এই সময়: বিরোধী সিপিএম ও কংগ্রেসের রাজনৈতিক ভবিষ্যত

চোখের সামনে কত কিছুই তো ঘটছে। দু’তিন বছর আগে হলে যে কেউ আশ্চর্য হতেন। আজ আর হন না। রাজনীতির এই সময়ের অভিঘাতে সিপিএম নাকি আবার জেগে উঠছে। ওদের কল্যাণে কামদুনীতে বড় মিছিল হল, বদলে দেওয়ার রাজনীতির অংশভাগি অতি বৃদ্ধ অথবা তথাকথিত বুদ্ধিজীবী, যারা দু’একটা কলেজে ৩৫/৪০ বছর মাস্টারি করা শিক্ষাবিদ পুরুষ এবং মহিলা, দুএকজন শিল্পী বা ছোট আকারের কবি যোগ যোগ দিলেন সেই মিছিলে।

 
 

কলকাতা চলচ্চিত্র উত্সব - বছর শেষের এক স্মরনীয় ঘটনা

কোন ঘটনাই একটু বিশদ ভাবে না বললে ঘটনাটার প্রতি বোধ হয় ন্যায় বিচার হয় না। তবু সংক্ষেপে বলার একটা উদ্দেশ্য, কৌতূহল এবং মাধুর্য থাকে। গত দশ নভেম্বর থেকে টানা আটদিন পশ্চিমবঙ্গ চলচ্চিত্র উৎসব হয়ে গেল। প্রায় ১৮৯টি ছবি দেখানো হল ৬৬টি দেশের। কোন দেশ নেই এখানে! ইরান, ইজরায়েল, আমেরিকা, ফ্রান্স, গ্রীস ইত্যাদির সাথে ভারতীয় হিন্দি এবং বাংলা ছবিও ছিল। এবার সাতটি ছবি ছিল বাংলার স্বর্ণযুগের।

 
 

আধার কার্ড জরুরিঃ দ্বন্দ্ব যত আধার কার্ডের অপব্যবহার নিয়ে

আধার কার্ড। বিতর্কে ঢোকার আগে প্রাথমিক কিছু বলে নেওয়া যাক। আঁধার শব্দটি কোন শব্দের বা শব্দগুচ্ছের সংক্ষিপ্তকরণ নয়। প্রথমে শুনলেই মনে হয় আধার শব্দটি কোন কিছুর “অ্যাব্রিভিয়েশন”। আদপেই তা নয়। আধার শব্দটি যা অনেককিছু ধারণের একটি পাত্র। সাধারণ মানুষের মনে তাই হতে পারে। কিন্তু তাও নয়। রাষ্ট্র আর মানুষের সম্পর্ক একান্তভাবেই রাজনৈতিক।

 
 

মুখ্যমন্ত্রীর সফল পাহাড় অভিযানে তার পাহাড়বাসীর আর্থসামাজিক উন্নয়নের দিশাঃ প্রদেশিক ছুটকো কংগ্রেসীদের তির্যক অভিমত

বিমল গুরুং একটু ভুল করে ফেলেছেন। গুলিয়ে ফেলেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী পরম্পরাগতভাবে একজন জ্যোতি বসু বা বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। একটাই তফাৎ জ্যোতিবাবুরা ঐতিহ্যগত বামপন্থী – যারা একদা গোর্খা সম্প্রদায়ের জাতীয় আস্মিতার কমবেশি সমর্থক ছিলেন সেই স্বাধীনতা পূর্বত্ব কালে

 
 

ওড়িশা উপকূলে ‘ফাইলিন’ আর পশ্চিমবঙ্গে ‘ডেরি-ফাইলিনের’ তাণ্ডব

দুর্গাপুজোয় মহাষষ্ঠীর দিন একটা পুজোর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যেতে হয়েছিল। সৌগত রায় উদ্বোধন করলেন। এটিও একটি থিম পুজো। পাড়ার খুব সাধারণ নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে ছোকরা সব। ওরা খুব যত্ন করে মহেঞ্জোদারোর ধ্বংসস্তূপে পাওয়া মূর্তি এবং প্রাপ্ত আরও আনুসঙ্গিক দিয়ে ওই সময়টা ধরতে চেষ্টা করেছে ওদের সাধ্যমতো। খুঁটিনাটি সবকিছুই অনেক পরিশ্রমের ফল। তাই অনেক আশা।

 
 

রঘুরাম রাজন কমিটির সুপারিশ সম্পূর্ণভাবে কার্যকরী হলে পশ্চিমবঙ্গ অবশ্যই অবিচারের শিকার

রঘুরাম রাজন কমিটির দায়িত্ব ছিল জাতীয় সম্পদের অংশ কিভাবে এবং কতটুকু পরিমানে রাজ্য সরকারগুলির মধ্যে বন্টন করা হবে এবং কোন ফর্মুলায়। কেন্দ্রীয় সরকার বাজেট পাশ করবার পর বাজেটের খুঁটিনাটি এবং পদ্ধতিগত ব্যাপারগুলো স্থির করবার জন্য মাঝে মাঝে এ ধরণের কমিটি তৈরি হয়ে থাকে। এই কমিটিগুলির দায়িত্ব থাকে রাজ্যগুলির এবং কেন্দ্রীয় সরকারের জাতীয় বিত্ত সম্পদগুলি কি পদ্ধতি এবং সূচক-এর মাধ্যমে ভাগাভাগি করে দেওয়া যায়।

 
 

রাহুল গান্ধীর বিস্ফোরক মন্তব্য – কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধির রাজনীতিরই বহিঃপ্রকাশ

গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী প্রধানমন্ত্রীর দৌড়ে রাহুল গান্ধীকে টেক্কা দিয়ে অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছেন। কিন্তু প্রশ্ন হল, নরেন্দ্র দামোদর দাস মোদী কি শুধুমাত্র তার ‘উন্নয়ন’ এর স্বপ্ন, বক্তৃতায় জোশ এবং কারুকার্য দিয়ে দ্বিধা দ্বন্দ্বে দীর্ঘ এবং নেতৃত্বের লড়াইয়ে প্রায় ছন্নছাড়া ভারতীয় জনতা পার্টিকে, ভারতের প্রথম দল হিসেবে

 
 

দলীয় রাজনীতির কবলে ছাত্র রাজনীতিঃ ফলশ্রুতি ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্কের অবনতি

ছাত্র শিক্ষক সম্পর্ক কি হবে – এই নিয়ে আমরা মাথার চুল ছিঁড়ছি এখন। এখন যে সম্পর্ক দাঁড়িয়েছে, বিগত ১৯৬০ এর দশকে তা ছিল না। ছাত্রদের পরবর্তী জীবনের একটা ছন্দ তৈরি হয়ে যায় তাদের স্কুল জীবনেই। এই প্রসঙ্গে ব্যক্তিগত একটা ঘটনা মনে পরে যায়। স্কুলজীবনটা কেটেছিল হাওড়ার বিবেকানন্দ ইনস্টিটিউশনে । মাস্টারমশাইরা সবাই খুবই সাধারণ ঘরের মানুষ ছিলেন। অত্যন্ত স্নেহ প্রবণ, ভালো খারাপ সব ছাত্রের প্রতি।

 
 

ভারত নির্মাণঃ আসলে বিজ্ঞাপনের বহরে দেশটাকে খাদের কিনারায় নিয়ে আসার প্রযুক্তি

অনেকদিন আগে একটা সিনেমা দেখেছিলাম। অতীতের শ্রেষ্ঠ সিনেমাগুলোর একটা। বিশিষ্ট তো বটেই। অতি আধুনিক স্যুট বুট টাই পরা- যদিও একটু চালিয়াত – এক পার্শ্ব অভিনেতা বলেছেন- পাবলিসিটি প্রথম, পাবলিসিটি দ্বিতীয় এবং পাবলিসিটিই শেষ। অর্থাৎ প্রচারের আলোয় তিল কে তাল করা শক্ত নয়। মানুষের স্মৃতির মাঝে মাঝে বিস্মরণ ঘটে। বেঠিককে তখন অবশ্যই ঠিক বলে মনে হয়।

 
 

ডুবন্ত কংগ্রেস এবং ফেডারেল ফ্রন্ট

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি শেষ পর্যন্ত কংগ্রেস এর সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে ২০১৪র নির্বাচন এ রাজি হবেন! তৃনমূলের অন্যান্য সদস্য এবং শুভানুধ্যায়ীরা বলবেন পশ্চিমবঙ্গে জোট না হলেও তৃণমূলকে, কংগ্রেস বা সিপিএম কেউই ঠেকাতে পারবেনা। অর্থাৎ যে কোনও অবস্থাতেই ‘অ্যাডভ্যান্টেজ তৃণমূল কংগ্রেস’।

 
 

মহাকরণ ভবনের সংস্কার এবং সচিবালয়ের বিকেন্দ্রীকরণ এক বলিষ্ঠ পদক্ষেপ

রাইটার্স বিল্ডিং অর্থাৎ মহাকরণ ভবনের বয়স এখন ২৩৬ বছর। ১৭৭৭ সালে, ব্রিটেন থেকে আগত কেরানিকূলের থাকা-খাওয়া এবং কাজ করবার জন্য এই বাড়িটি তৈরি করা হয়েছিল। পরবর্তীকালে সমান্তরালভাবে বাড়িটা সম্প্রসারণ করা হয়।

 
 

দৃষ্টিপাত: তৃনমূল কংগ্রেস-এর উত্থান মমতা-নেতৃত্বের প্রজ্বলন

সেই আশির দশকের প্রথম দিন থেকেই এক অদ্ভুত ধরণের চিন্তা মনে কাজ করতো। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তখনো রাজনীতির বড় প্রাঙ্গনে আসেননি। জনতা পার্টির অতি বৃদ্ধ নেতৃবর্গের অতিরিক্ত লোভ, একে অপরকে টেক্কা মারার প্রচেষ্টা, কিছুজনের একগুঁয়েমি,শাসন ক্ষমতা পরিচালনা করার অক্ষমতা আর তখন মধ্যবয়সী মধু লিমায়ের মতো নেতাদের দলবাজি, সমর গুহদের প্রতিশোধ স্পৃহাই তাদের অকালে খণ্ডিত করে দিল।

 
 

দৃষ্টিপাত: অথ ২০১৩র পঞ্চায়েত নির্বাচনী কথা

২০১৩ পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে বিগত প্রায় একবছর ধরে জলঘোলা বড় কম হয়নি। সৌজন্যে অবশ্যই এই রাজ্যের নির্বাচন কমিশনার শ্রীমতী মীরা পাণ্ডে। এর আগের রাজ্য নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে বামফ্রন্ট বিশেষ করে সিপিএম এবং মূখ্যমন্ত্রীদের মতপার্থক্য হয়নি। তার কারণ এখন আর বিশ্লেষণ করার প্রয়োজন নেই। একান্ত অনুগত অবসরপ্রাপ্ত বড় আমলা কূল তাদের অবসর গ্রহণের প্রাক্কালে চাকরি আরও তিন বছর করে বাড়িয়ে নিয়েছেন। সবসময়ই ঝামেলা এড়িয়ে গিয়েছেন।কাজ করিয়ে নিয়েছেন কমিশনের সচিবদের দ্বারা। এমনকি সাংবাদিক বৈঠকেও নেতৃত্ব দিয়েছেন সচিবরাই। এবার কিন্তু তা হয়নি।

 
 

দৃষ্টিপাত: টুথপেস্টের মডেল সন্ধান

বেশ কিছুদিন থেকে মনে হচ্ছিল টুথপেস্ট নিয়ে লিখলে কেমন হয়! টুথপেস্ট নিয়ে এত বিজ্ঞাপন দেখি টেলিভিশনে প্রতিদিন। বিরক্তও হই। উপায় নেই দেখতেই হয় বাংলা বা ইংরেজি চ্যানেলে।

 
 

< Back to List

© 2017 Maa Mati Manush About Us  |  Contact   |   Disclaimer   |   Privacy Policy   |   Site Map